সংবাদ প্রকাশের পর কলেজ কর্তৃপক্ষ তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন।
এরপরেই কলেজ মাঠ চত্বর থেকে গোখামারীদের গরু সড়িয়ে নিতে নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ।
পাশাপাশি কলেজ মাঠের ঘাস দ্রুত পরিষ্কার করাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।
তবে গত শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকালে শতাধিক মানুষ যে যার মতো উন্মুক্তভাবে কলেজ মাঠের ঘাস কেটে নিতে দেখা গেছে। কিন্তু কলেজ কর্তৃপক্ষকে কোন রকমের বাধা প্রদান করতে দেখা যায়নি।
একই দিন বেলা এগারোটার দিকে কলেজ কর্তৃপক্ষ কলেজ ‘মাঠ সমতল’ এর নামে টাক্ট্রর দিয়ে চাষ দেওয়ার ব্যবস্থা করেন। ফলে স্থানীয়দের মধ্যে সরকারি কলেজ মাঠে মাসকালাই ঘাসের চাষ করাকে নিয়ে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল তার অবসান হয়েছে।
করোনাভাইরাসের কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছুটির মধ্যে সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার দায় দিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুজ্জামান চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীদের দিয়ে সরকারি কলেজ মাঠে মাসকালাইয়ের ঘাস চাষ করার অনুমতি দিয়েছিলেন।
সেই ঘাসগুলি বেড়ে উঠলে গোখামীদের নিকট মোটা অঙ্কের টাকায় বিক্রি করেছিলেন। কিন্তু সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর সেই ঘাস আর বিক্রি করা সম্ভব হয়নি।






